ডাচ-বাংলা ব্যাংক ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য দিচ্ছে : ডিবিবিএল স্টুডেন্ট ব্যাংকিং সার্ভিস

8464

ডাচ-বাংলা ব্যাংক বাংলাদেশের বহুল পরিচিত ও জনপ্রিয় একটি ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান।প্রতিষ্ঠাতা চেয়াম্যান সাহাবুদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডের যৌথ উদ্দ্যেগে ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠা করেন। ডাচ-বাংলা ব্যাংকের সংক্ষিপ্ত রুপ হচ্ছে ডিবিবিএল । ডিবিবিএল ৩ জুন ১৯৯৬ সালে একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম শুরু করে। বর্তমানে ডিবিবিএল রয়েছে বাংলাদেশের প্রচুর একাউন্ট হোল্ডার। তাদের সার্ভিসের মধ্যে রয়েছে ব্যাংকিং সেবা, এটিএম সেবা, কনজিউমার ব্যাংকিং, কর্পোরেট ব্যাংকিং, বিনিয়োগ ব্যাংকিং, ইন্টানেট ব্যাংকিং, গেটওয়ে সার্ভিস,মোবাইল ব্যাংকি,, স্টুডেন্ট ব্যাংকিং। ডাচ-বাংলা ব্যাংক ২০১০ সালে দেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস চালু করে।

ডাচ-বাংলা ব্যাংক স্টুডেন্ট ব্যাংকিং সার্ভিস

ডিবিবিএল স্টুডেন্ট ব্যাংক একাউন্ট
ডিবিবিএল স্টুডেন্ট ব্যাংকিং সার্ভিস

বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য

সম্প্রতি ডাচ-বাংলা ব্যাংক সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য চালু করেছে নতুন এক সার্ভিস : স্টুডেন্ট ব্যাংকিং। যা সর্ম্পূ্ন্য সাধারণ ব্যাংকিং এর মত তবে এখানে বিশেষ কিছু সুবিধা ও অসুবিধা রয়েছে । তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক স্টুডেন্ট ব্যাংকিং সার্ভিসের কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে।

ডিবিবিএল স্টুডেন্ট ব্যাংক একাউন্ট খোলার করার নিয়ম ও পদ্ধতি

ডাচ-বাংলা ব্যাংক এ একাউন্ট করার জন্য প্রথমে আপনাকে ডিবিবিএল এর নিকটস্থ ব্রাঞ্চ অফিস যেতে হবে। তার আগে আপনি একবারের জন্য হলেও ডিবিবিএল এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা ফেসবুক পেইজ ভিজিট করতে পারেন। ভিজিট করে দেখতে পারেন বর্তমানে তাদের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং সার্ভিসের কোন প্রকার আপডেট দেওয়া হয়েছে কিনা। তাহলে আপনাকে ব্যাংক অফিসে গিয়ে আর কোন ঝামেলা জড়াতে হবে না।

ডিবিবিএল রকেট একাউন্ট সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য

আরেকটি কথা আপনার বয়স যদি ১৮ বছরের নিচে হয় তাহলে আপনার একজন অভিবাকের মাধ্যমে স্টুডেন্ট ব্যাংক একাউন্ট ওপেন করতে হবে। আর যদি আপনি ১৮ বছরের উর্ধে হন তাহলে আপনি নিজেই আপনার একাউন্ট ওপেন করতে পারবেন। সেজন্য বর্তমানে স্টুডেন্ট ব্যাংক একউন্ট ওপেন করতে প্রয়োজনীয় কিছু ডকুমেন্ট প্রয়োজন হবে।   ১. এস.এস.সি বা এইচ.এস.সি রেজিস্ট্রেশনের ফটোকপি। ২. জন্মসনদ অথবা ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি। ৩. পাসপোর্ট সাইজ ২ কপি ছবি। ৪. নমিনি এর জন্য ১ কপি ছবি। ৫. স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট আইডি কার্ডের ফটোকপি। ৬. ১৮ বছরের নিচ বয়স হলে সঙ্গে অভিবাবক নিয়ে আসতে হবে। ৭. নূন্যতম ৫০০ টাকা সাথে আনতে হবে।

ডিবিবিএল স্টুডেন্ট ব্যাংকিং সার্ভিসের সুবিধাসমূহ

  • একাউন্ট ওপেন করতে কোন প্রকার চার্জ দিতে হবে না।
  • কোন কারণে একাউন্ট বাতিল করলে ৫০০ টাকা সর্ম্পূণ্য ফেরত দেওয়া হবে।
  • আজীবনের জন্য ফ্রী ডিবিবিএল নেক্সাস কার্ড প্রদান করবে।
  • ডিবিবিএল নেক্সাস কার্ডে বার্ষিক কোন চার্জ নেই।
  • ডিবিবিএল নেক্সাস কার্ড হারিয়ে বা নষ্ট হলে মাত্র ৪০০ টাকা খরচে আপনি পুনরায় একটি কার্ড পাবেন।
  • আপনার ডিবিবিএল নেক্সাস কার্ডের মাধ্যমে সকল এটিএম বুথ হতে টাকা তুলতে পারবেন।
  • প্রতি বছর আপনাকে জমাকৃত টাকার বিপরীতে ৫% হারে সুদ প্রদান করা হবে । (শর্ত প্রযোজ্য)
  • সাধারণ একাউন্টের মত আপনি প্রায় সকল সুযোগ-সবিধা উপভোগ করতে পারবেন।
  • সার্বক্ষণিক গ্রাহক কেয়ার সার্ভিস : ১৬২১৬।

ডিবিবিএল স্টুডেন্ট ব্যাংকিং সার্ভিসের অসুবিধাসমূহ

  • একাউন্ট একটিভ করতে আপনাকে প্রথম ৫০০ টাকা জমা দিতে হবে। ( সর্ম্পূণ্য ফেরত যোগ্য)।
  • এটিএম হতে আপনি একদিনে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।
  • আপনার একাউন্টে সর্বোচ্চ ১ লক্ষ টাকা জমা রাখতে পারবেন।
  • স্টুডেন্ট একাউন্টে কোন চেক বই প্রদান করা হবে না।

আমাদের সাথে যুক্ত হতে চাইলৈ : ফেসবুক পেইজ | | ফেসবুক গ্রুপ

উপরোক্ত তথ্য সম্পর্কিত কোন মতামত জানাতে চাইলে কমেন্ট করুন এবং শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন