ঘরে বসে অনলাইনে আয়ের বিভিন্ন উপায়

0
491

আধুনিক সভ্যতায় ইন্টানেট মানুষের জীবনে যেমন প্রভাব ফেলেছে ঠিক তেমনি প্রভাব পড়েছে মানুষে জীবকা নির্বাহের ক্ষেত্রগুলোতে।ইন্টারনেটে রয়েছে বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে ঘরে বসে অর্থ আয়ের সুযোগ । অনলাইনে তৈরি হয়েছে নানা রকম অর্থ আয়ের উৎস যার মাধ্যমে নারী ও পুরুষ উভয়ই এই সেক্টরে যুক্ত হয়ে বিভিন্ন ধরনের অনলাইন কাজ করে আয় করতে পারেন। তবে অনলাইনে মাধ্যমে আয় করতে গেলে বিভিন্ন রকম মাল্টি বা সিঙ্গেল প্লার্টফরম ধরে নিজেকে সেইভাবে দক্ষভাবে তৈরি বা সাজিয়ে নিতে হয়। সেজন্য প্রয়োজন হয় নতুন কিছু শিক্ষা গ্রহণের আগ্রহ,ধ্যর্য,সময়,সৃজনশীল ও কৌশলী বা চিন্তাশীল।

অনলাইনের মাধ্যমে ঘরে বসে ইনকামের মাধ্যম সমূহ

অনলাইন থেকে আয়ের বিভিন্ন উপায়
অনলাইন থেকে আয়ের বিভিন্ন উপায়

অনলাইনে ঘরে বসে অর্থ আয়ের যেমন সূবর্ণ সুযোগ রয়েছে ঠিক তেমনি রয়েছে বিভিন্ন রকম ফাঁদ আর সেই ফাঁদে একবার পড়লে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন তাই পূর্বেই সর্তক থাকা প্রয়োজন । অনলাইন একটি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ভিন্ন জগৎ তাই এখানে সকলের বিচরণ খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে অনলাইন কিছু বিশেষায়িত খুবই ভালো ভালো প্লার্টফর্ম,ওয়েবসাইট ও রির্সোস রয়েছে, যা কাজে লাগিয়ে অনলাইনে আয় করতে পারবেন। তবে সেক্ষেত্রে অনলাইনে আপনি যে কাজ করতে ইচ্ছুক বা দক্ষতা রয়েছে সেই রকম একটি অনলাইন প্লার্টফরম সিলেক্ট করতে হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে অনলাইনে মাধ্যমে আয় করা সম্ভব এবং অনলাইনের কাজের প্রকৃতি সম্পর্কে।

ফ্রিল্যান্সিং

ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে অনলাইনের মাধ্যমে ইনকাম করার সবচেয়ে উত্তম পন্থা।বিভিন্ন রকম ফ্রিল্যান্সারদের দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে ফ্রিল্যান্সিং কাজের সুযোগ তৈরি হয় একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। সেখানে কাজের জন্য ফ্রিল্যান্সার হিসেবে একটি অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করে নিজস্ব কর্মদক্ষতার উপর আকর্ষণীয় নিজস্ব প্রফাইল তৈরি করতে হয়। ওয়েবসাইটে থাকে বিভিন্ন রকম কাজদাতা প্রতিষ্ঠান বা বায়ার (কাজদাতা)। বায়ার হচ্ছে যিনি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সারদের কর্মদক্ষতা পরীক্ষা করে বিভিন্ন রকম কাজ প্রদান করে থাকেন। কয়েকটি ওয়েবসাইট ফ্রিল্যান্সারদের নিকট থেকে কাজের দক্ষতার বিবরণ জানতে চায়,যাতে কাজদাতা প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি সরাসরি ফ্রিল্যান্সাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন। এসব সাইটের মধ্যে রয়েছে ফাইবার,আপওয়ার্ক,ফ্রিল্যান্সার,ওয়ার্কএনহায়ার ইত্যাদি।এসব ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট থেকে একজন ফ্রিল্যান্সার ঘন্টায় ৫ থেকে ১০০ ডলার বা তোতোধিক পর্যন্ত আয় করার সুযোগ পায়। তবে মনে রাখতে হবে কাজ শেষ করার পর কাজদাতার অনুমোদন পেলেই তবেই কাজের অর্থ পাওয়ার সুযোগ থাকে। সেক্ষেত্রে কাজের মানের ওপর কাজদাতা রেটিং বা মন্তব্য দিতে পারেন। গ্রাহকের পছন্দ না হওয়া পর্যন্ত কাজ করে দিতে হয় ফ্রিল্যান্সারদের।এই অর্থ বিভিন্ন অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করে খুব সহজেই দেশে আনা যায়।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে একটি কোম্পানির বিভিন্ন রকম প্রডাক্ট বা সার্ভিস অনলাইনের মাধ্যমে নানা রকম চুক্তি ভিত্তিক প্রচারণা করার মাধ্যম। সেক্ষত্রে আপনার প্রয়োজন হবে একটি ভালো অনলাইন ট্রাফিক বা অনলাইন ভিজিটর। যেই নির্দিষ্ট্ ট্রাফিক বা ভিজিটরের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কোন সার্ভিস বা প্রডাক্ট আপনি কোম্পানির হয়ে চুক্তি ভিত্তিক প্রমোশন করে দিবেন।এছাড়াও বিভিন্ন অ্যাফিলিয়েট প্লার্টফরমে সংযুক্ত হওয়ার মাধ্যমেও আপনি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করার সুযোগ পেতে পারেন। তবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার সবচেয়ে ভালো মাধ্যম একটি ব্লগ সাইট তৈরি করে নির্দিষ্ট সার্ভিস প্রদান করে সেরকম সার্ভিস সম্পর্কিত প্রডাক্ট বা সার্ভিস প্রমোশন করে যার মাধ্যমে খুব সহজে বিভিন্ন রকম প্রমোশন লিংক যুক্ত করে ইনকাম করা সম্ভব ।অ্যামাজন, ক্লিকব্যাংক,শেয়ারএসেল স্টুডি- ওপ্রেস ইত্যাদি বিভিন্ন জনপ্রিয় অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সাইট।

গ্রাফিক্স ডিজাইন

সৃজনশীল ও আঁকা-আঁকিতে পারদর্শী মানুষদের জন্য সবচেয়ে ভালো অনলাইনে আয়ের মাধ্যম হচ্ছে গ্রাফিকস ডিজাইন। যাঁরা গ্রাফিক্স ডিজাইনে দক্ষ তারা বিভিন্ন ডিজাইন সম্পর্কিত অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে ফ্রিল্যান্সিং বা বিভিন্ন আকর্ষণীয় গ্রাফিক্স এসোসরিজ তৈরি করে বিক্রয় করে আয় করতে পারেন। এছাড়াও গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের জন্য রয়েছে বিভিন্ন প্রতিযোগীতা মূলক অনলাইনে আয়ের ব্যবস্থা । গ্রাফিক্স ডিজাইনদের প্রতিযোগীতা মূলক একটি ভিন্ন রকম সাইট হচ্ছে ৯৯ ডিজাইন যে সাইটের মাধ্যমে প্রতি মূহূর্তে কনটেষ্টে যুক্ত হয়ে নির্বাচিত হয়ে প্রচুর আয় করা যাবে। এছাড়াও রয়েছে শুধুমাত্র একটি গ্রাফিক্স আইটেস তৈরি করে তা সারাজীবন গ্রাফিক্স মার্কেটে বিক্রয় করে কমিশনের মাধ্যমে আয়ের সুযোগ এরকম একটি মার্কেট হলো গ্রাফিক্সরিভার।এছাড়াও গ্রাফিক্স ডিজাইনদের রয়েছে বিভিন্ন জনপ্রিয় মার্কটপ্লেস যেমন ক্রাউডস্প্রিং,মাইফ্রন্ট,ডিজাইনক্রাউড,ফাইবার ইত্যাদি আরোও অনেক মার্কেটপ্লেস।

ক্যাপচা এন্ট্রি,জরিপ, সার্চ ও রিভিউ

অনলাইনে মাল্টি ফাংশনের কাজ রয়েছে যেমন ক্যাপচা এন্ট্রি,জরিপ,সার্চ,রিভিউ।ক্যাপচা এন্ট্রি হচ্ছে বিভিন্ন রকম সংখ্যা ও ছোট ও বড় অক্ষর সংবলিত একটি ক্যাপচা কোড ছবি আকারে দেওয়া থাকবে সেটি হুবহু দ্রুত নির্ভূলভাবে টাইপ করে দিতে হবে , এভাবেই সাধারণত ক্যাপচা এন্টি কাজ করা হয়ে থাকে। বর্তমান বিশ্বসস্থ কিছু ক্যাপচা এন্ট্রি সাইটের আপডেট জানতে আমাদের ফেসবুক পেইজে ইনবক্স করতে পারেন। সেইসাথে আপনারা অনলাইনে জরিপে অংশ নিয়েও ইনকাম করতে পারেন। অনেক ওয়েবসাইট বিভিন্ন রকম জরিপের মত কাজ প্রদান করে।এছাড়াও সার্ভিস বা পণ্যের সার্চ ও পর্যালোচনা বা রিভিউ প্রদানের মাধ্যমে অনলাইনে ইনকাম করা যায়। তবে এই কাজগুলো অধিকতর সহজ ও ছোট কাজ হওয়ার ফলে অনেকে ভূয়া সাইটের মাধ্যমে কাজ করে প্রতারিত হয়। তবে এই সব ছোট ছোট কাজ করে অনলাইনে ইনকাম করতে চাইলে কাজের পূর্বে ভালো মানের সাইটের আপডেট সম্পর্কে ধারণা জেনে নিতে হবে। খুঁজে না পেলে আমাদের ফেসবুজ পেইজে ইনবক্স করতে পারেন। আমরা আপনাদের বিভিন্ন ভালো মানের প্রতিষ্ঠান বা আপডেট তথ্য দ্বারা সর্বাত্মক সহযোগীতা প্রদান করব।

ভার্চ্যুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট

বর্তমান অনলাইনে ভার্চ্যুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট কাজের ক্ষেত্র অনেক বেশি প্রসাতির হচ্ছে ।ফিল্যান্সিং র্মাকেটপ্লেসগুলোতে ঘন্টাপ্রতি ১০ ডলার থেকে ১০০ ডলার বা তোতোধিক আয় করা সম্ভব।বাড়ি থেকে করপোরেট অফিসের নানা ধরনের কাজ অনলাইনে করে দেওয়ার সুবিধা আছে এমন কাজ অনলাইনে বসে করে দেওয়া হলো ভার্চ্যুয়াল কর্মকান্ড আর যিনি ভার্চ্যুয়ালী ভাবে সহযোগীতা প্রদান করে তাকে
ভার্চ্যুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট ।ভার্চ্যুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কর্মী বা নিজের ব্যবসা নিজেই চালানো যায়।অনলাইনে কাজের ক্ষেত্রে ভার্চ্যুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়োগ বা কাজ দেওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের দক্ষতা সম্পর্কে অবগত হয়ে নেয় একজন কাজদাতা প্রতিষ্ঠান/বায়ার। ভার্চ্যুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট কাজের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় কাজগুলো হচ্ছে : সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবস্থাপনা,ব্লগিং,অনলাইনসাপোর্ট,রিসার্চ,ডেটা এন্ট্রি,এডিটিং,রাইটিং,গ্রাফিক্স,ইমেইল ব্যবস্থপনা ইত্যাদি বিষয়ে অনেক ধরনের কাজ রয়েছে।ফ্রিল্যান্সার ডটকম,পিপল পার আওয়ার,আপওয়ার্ক,২৪/৭ ভার্চ্যুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট,অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যাচের মতো সাইটগুলোতে কাজ পাওয়া যায়।

বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ

আপনি যদি এক বা একাধিক ভাষায় ভাষান্তর বা অনুবাদ করতে পারেন,তাহলে আপনি প্রচুর কাজ করতে পারবেন। ইংরেজির পাশাপাশি অন্য কোনো ভাষা ভালোভাবে জানা থাকলে সেই দক্ষতা কাজে লাগিয়ে অনলাইনে আয় করা সম্ভব।যাদের বিশেষত আরবি,জার্মানি,ফ্রেঞ্চ,স্প্যানিশ ও অন্যান্য ভাষায় অনুবাদ করার দক্ষতা রয়েছে তারা ইংরেজি বা অন্য ভাষায় অনুবাদ করে প্রচুর আয় করতে পারেন।বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেস ও বিশেষ বিশেষ ওয়েবসাইটগুলোতে এই ধরণের কাজ গুলোর জন্য প্রচুর ওর্য়াকার নিয়োগ ও কাজ দেওয়া হয়ে থাকে এবং ভালো অংকের একটি বাজেট বরাদ্ধ থাকে।

অনলাইন টিউটর

আপনি ধরুন কোন বিষয়ে ভালো জানেন এবং সেই বিষয়ে অন্যকে শিক্ষা দেওয়ার দক্ষতা রয়েছে। তাহলেও আপনার অনলাইনে রয়েছে বিশাল সম্ভাবনা।শুধুমাত্র অনলাইনে টিউটরিং করে প্রচুর আয় করতে পারবেন। অনলাইনে বিভিন্ন সাইট রয়েছে যারা “অনলাইন টিউটোর” নিয়োগ দিয়ে থাকে তবে অবশ্য সে জন্য আপনাকে একটি পরী্ক্ষার সম্মুখীন হতে পারে।কিন্তু একবার যদি আপনি তাদের মন জয় করে নির্বাচিত হতে পারেন তাহলেই আপনি সব বয়সী শিক্ষার্থী এমনকি বাহিরের দেশের শিক্ষার্থীদেরও শিক্ষা প্রদান করে অনলাইনে আয় করতে পারবেন।অনলাইন টিউটর ডটকম বা টিউটর ডটকম ইত্যাদি সাইটের মাধ্যমে আপনি অনলাইনে টিউটরের কাজ পাবেন

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম

বিভিন্ন ধরনের সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম বিশেষত ফেসবুক,টুইটার,ইনষ্টাগ্রাম,স্ন্যাপচ্যাট ইত্যাদি মাধ্যমে শুধু যে বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ করা যায় তাই না। বিভিন্ন ধরনের ট্রিক্স ও টিপস কাজে লাগিয়ে এই স্যোশাল সেক্টরের মাধ্যমে অনলাইনে প্রচুর কাজ করা যায়।এছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্র্যান্ডের পক্ষ থেকে স্যোশাল মিডিয়ায় যারা এক্সপার্ট তাদের বিভিন্ন ধরনের ইভেন্ট অনুযায়ী কাজ দেওয়া হয়। সেই কাজগুলো করে খুব কম সময়ে ১০ ডলার থেকে ১০০০ ডলার বা তোতোধিক শুধু মাত্র একটি ইভেন্ট থেকে আয় করা সম্ভব।তবে স্যোশাল মিডিয়া কাজে লাগিয়ে আয় করার জন্য আপনাকে কিছু বিষয়ে পারদর্শী ও সৃজনশীল এবং কৌশলী হতে হবে। তা না হলে ভিজিটর ড্রাইভ,ভিজিটর টার্গেট,বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন প্রচারের মত বিশাল বাজেটের কাজ গুলো ধরা প্রায় অসম্ভব। এই কাজগুলো যেমন অনলাইনে করা যায় তেমনি অফলাইনেও এই কাজ করে ভালো পেমেন্ট পাওয়া যায়।যাদের স্যোশাল মিডিয়াগুলোতে খবু ভালো দখল আছে তারা বিভিন্ন প্রাইভেট কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তিভিত্তিক কাজ করার সুযোগ পায়। এমনকি আমারাও মাঝে মাঝে এই ধরনের স্যোশাল মিডিয়া এক্সপার্টদের বিভিন্ন ধরনের ইভেন্টের জন্য চুক্তিভিত্তিক কাজ প্রদান করি।

ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভোলাপমেন্ট

বর্তমান বিশ্বে যতগুলো অনলাইনে কাজ রয়েছে তার মধ্যে প্রথম সারির সর্বাপেক্ষা চাহিদামূলক কাজ হলো ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভোলাপমেন্ট। তার প্রধান কারণ হলো বর্তমান প্রত্যকটি প্রতিষ্ঠান চায় অনলাইনে তাদের সার্ভিস প্রদান করতে তাই প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন হয় এক বা একাধিক ওয়েবসাইট। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে যে পরিমাণ কাজ এই সেক্টরে বৃদ্ধি পেয়েছে সে অনুযায়ী দক্ষ জনবল নেই।উল্লেখ্যযোগ্য কারণেই কাজের ডিমাল্ড ও পেমেন্ট সেই অনুযায়ী বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর একটা ওয়েবসাইট তৈরি করার পর তার বিভিন্ন সার্ভিস ও আফটার ওয়ার্ক এবং আপডেট করণের জন্য বিভিন্ন ধরণের সার্বক্ষণিক কাজ থাকে তাই কাজ থেমে থাকে না বরং আরোও বৃদ্ধি পাই। তাই এই সেক্টরে প্রতিনিয়ত কাজের চাহিদা বাড়ছে কিন্তু সে অনুযায়ী দক্ষ জনবল পাওয়া না যাওয়ার বা পর্যাপ্ত হওয়ার ফলে বৃদ্ধি পাচ্ছে কাজের পেমেন্ট।ওয়েব ডিজাইন ও ডেভোলাপমেন্ট ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন ধরনের কাজ যেমন অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে পাবেন ঠিক তেমনি সরাসরি অনেক ধরনের প্রজেক্ট ভিত্তিক কাজ পেতে খুব কষ্ট করতে হয় না একজন দক্ষ ওয়েব ডিজাইনার এন্ড ডেভোলাপার হিসেবে।নিজেকে এই সেক্টরে একটু কষ্ট করে তৈরি করে নিতে পারলে অনলাইনে ও অফলাইনে কাজের অভাব হবে না।

কনটেন্ট রাইটিং/ রাইটার

অনলাইনের বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসগুলোতে নিয়মিত প্রচুর কাজ রয়েছে কনটেন্ট বা আর্টিকেল রাইটিং এর উপর। শুধুমাত্র আর্টিকেল বা কনটেন্ট রাইটিং নয় রাইটিং ক্যাটাগরিতে পাবেন বিভিন্ন সাব ক্যাটাগরি ভিত্তিক কাজসমূহ।অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে কাজ করে বা লিখে দক্ষতা অর্জন করতে পারেন।আর্টিকেল লেখার বিষয়, কী-ওয়ার্ড ও মানের উপর ভিত্তি করে আয় হয়ে থাকে। মার্কেটপ্লেস বা কাজদাতা প্রতিষ্ঠান ভেদে নিদিষ্ট কিছু নীতি মেনে লেখার জন্য বলতে পারেন।নির্দিষ্ট কিছু টপিক,নিশ ও বিষয় ধরে আর্টিকেল রাইটিং করার দক্ষতা থাকলে খুব কম সময়ে এই সেক্টরে বিশাল অংকের অর্থ আয় করা যায়। তবে কেউ যদি কারচুপি করে কপি-পেষ্ট বা অন্যের লেখা চুরি করে ক্যারিয়ার গড়ার চিন্তা করে তাহলে ভুল পথে পা বাড়াবে। আপনাকে এই সেক্টরে নিজস্ব সৃজনশীল লেখার পরিচয় দিতে হবে তা না হলে অর্থ ইনকাম করা অসম্ভব। কেউ যদি ইউনিকোডে বাংলা ভাষায় বিভিন্ন ধরনের টপিক যেমন স্বাস্থ্য,জীবন-চর্চা,ভ্রমণ,লাইফ-স্টাইল,টিপস এন্ড টিক্স,বিজ্ঞান প্রযুক্তি,মোটিভেশনাল মূলক ঘটনা ও শিক্ষা বিষয়ক ইউনিক রিপোর্ট তৈরি করতে পারেন তাহলে আমাদের সাথে যুক্ত হয়ে কাজ করে অর্থ আয় করতে পারবেন।

ইউটিউবিং/ভিডিও ব্লগিং

যারা কনটেন্ট লিখে আয় করতে স্বচ্ছন্দবোধ বা পছন্দ করেন না।তারা ক্যামেরার সাহায্য নিয়ে ভিডিও ব্লগিং এর মাধ্যমে আয় করতে পারেন।ভিডিও ব্লগিং করে অনলাইন থেকে আয় করার সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হচ্ছে ইউটিউব।যেখানে আপনি সৃজনশীল বিষয়গুলো ভিডিও সম্পাদনা করে ইউটিউবে আপলোড করার মাধ্যমে আয় করতে পারেন।তাছাড়াও বর্তমানে এখন ইউটিউব ছাড়াও ফেসবুক ও বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস সহ বিভিন্ন ইউটিউবিং এর মতো প্লাটফরম কাজে লাগিয়ে অনলাইনে আয় করা যায়।তবে ভিডি ব্লগিং এর মাধ্যমে আয় করতে আপনাকে ভালো মানের একটি ভিডিও ধারণের জন্য মোবাইল/ক্যমেরা প্রয়োজন হবে সেই সাথে প্রয়োজন হবে ভিডিও সম্পাদনামূলক দক্ষতা এছাড়াও আপনার বিষয় ভিত্তিক জ্ঞান থাকা জরুরি হবে বিশেষত যেকোন বিষয় উপস্থাপনের কৌশল।প্রতি হাজার ভিউের উপর ভিত্তি করে ইউটিউবের মাধ্যমে আপনি গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয় করতে পারেন। তাছাড়া অন্যান্য মাধ্যমগুলো তাদের নিজস্ব বিজ্ঞাপন নীতি দ্বারা অনলাইনে আয়ের সুযোগ প্রদান করে।

আমাদের সাথে যুক্ত হতে চাইলৈ : ফেসবুক পেইজ | | ফেসবুক গ্রুপ

উপরোক্ত তথ্য সম্পর্কিত কোন মতামত জানাতে চাইলে কমেন্ট করুন এবং শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার কমেন্ট লিখুন
আপনার নাম লিখুন