বল টেম্পারিং এর অভিযোগে অস্ট্রেলিয়ান জাতীয় ক্রিকেট দলের ভরাডুবি

0
311

বল টেম্পারিং এর অভিযোগে এখন উত্তপ্ত ক্রিকেট বিশ্ব। গত কয়েকদিন আগে টেস্ট ম্যাচে খেলা চলাকালীন সময়ে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট অধিনায়ক স্টিভেন স্থিম ও সহ অধিনায়ক ডেভিড ওর্য়ানার বল টেম্পারিং এর অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন।বল টেম্পারিং অভিযোগে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট বোর্ড অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়ক থেকে সড়িয়ে দিয়েছে তাদের দুইজনকে। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট দলের অধিনায়কত্ব পালন করছেন উইকেট কিপার টিম পেইন। ক্যামেরুন ব্যানক্রফট এর বল টেম্পারিং এর কারণেই শাস্তি পেতে হলো ওজি ক্রিকেটারদের । এই পুরো বিষয়টিকে দুঃখজনক ও হতাশার বলেছেন অস্ট্রেলিয়ান প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবিল।

বল টেম্পারিং
বল টেম্পারিং এর অভিযোগে অস্ট্রেলিয়ান জাতীয় ক্রিকেট দল
টেস্ট ক্রিকেট খেলার মাঝে অধিনায়ক বদলে ঘটনা অভিনব আর সেটাই করতে বাধ্য হলো বিশ্ব সেরা ক্রিকেট টিম ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। ক্রিকেট বিশ্বের চাপে পড়ে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ান বোর্ড বল টেম্পারিং এর মত ঘৃণ্য কাজে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বল টেম্পারিং এর অভিযো স্বীকার করে নিজে অবস্থান আগে থেকেই পরিষ্কার করে দিয়ে ছিলেন স্টিভেন স্থিম। অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়ক পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। ক্যাপটাউন টেস্টের বাকি দুইদিন অধিনায়কত্ব করবেন টিম পেইন। ক্যামটাউন টেস্টের তৃতীয় দিন সবার দৃষ্টিগোচর করে হলুনদ কোন এক বস্তু দ্বারা বল ঘোষছেন ব্যানক্রফট কিন্তু টেলিভিশন ক্যামেরার দৃষ্টি এরায়নি তা । ম্যাচ রেফারির নিদের্শনায় আম্পায়ার সেই সময় জিজ্ঞাবাদ করেন ওজি ফিল্ডারকে কিন্তু তার আগেই ট্রাউজারের ভিতর লুকিয়ে ফেলেন হলুদ বস্তুটি। আম্পায়ারের কাছে ঘটনাটি তখন অস্বীকার করায় মুক্তি মেলে তৎক্ষণাৎ কিন্তু টেলিভিশন মিডিয়ায় ঘটনাটি সরাসরি সম্প্রচার ও বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকাশ পেতে থাকে ঘটনাটি তখন আর মুখ বন্ধ রাখতে পারেননি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া টিম।
খেলা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে অকপটে সকল কিছু স্বীকার করে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট অধিনায়ক স্টিভেন স্থিম ও সহ অধিনায়ক ডেভিড ওর্য়ানার ।  সহ অধিনায়ক ডেভিড ওর্য়ানার সরাসরি ভাষ্য ছিল, আমি অপরাধ স্বীকার করে ক্ষমা চাচ্ছি। মধ্যাহৃ বিরতীর সময় এ ব্যাপারে ড্রেসিং রুমে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। স্টিভেন স্থিম বলেন  হতাশা থেকে দলগতভাবে সিদ্ধান্ত ছিল বল টেম্পারিং এর।দলের সিনায়ার খেলায়ার মিলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে যদি বল থেকে কোন সুবিধা আদায় করা যায় সেই ভাবনা থেকেই এই সিদ্ধান্ত। এটা খুবই বাজে সিদ্ধান্ত ছিল তা স্বীকার করেন স্থিম আর বলেন ভবিষৎতে এরকম আর হবে না।
ঘটনাটি কেন্দ্র করে অস্ট্রেলিয়ান প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবিল বলেন, আমি খুবই লজ্জিত এবং হতাশ যে যারা অস্ট্রেলিযান জাতীয় দলের পতাকা বহণ করছে তাদের কাছে এ ধরণের পতাকা আশা করি নি। নিন্দা জানাই যারা ঘৃণ্য এ অপরাধের সাথে জড়িত। অপরদিকে এ ঘটনাটিকে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট দলেন কালো দিন বলে অাক্ষা দিয়েছেন সাবেক ক্রিকেট খেলোয়ার। ফেসবুক, টুইটারে সাবেক অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট খেলেয়ারগণ সমালোচনা করে বলেন এ ঘটনার জন্য পুরো টিমকে প্রতারক হিসেবে দ্বায় স্বীকার করতে হলো। সাবেক অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট অধিনায়ক মাইকেল কার্ল্ক দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এছাড়াও বিশ্বে ক্রিকেটের বিভিন্ন মহল থেকে আসছে এ ঘটনাটি কেন্দ্র করে কড়া সমালোচনা।
আমাদের সাথে যুক্ত হতে চাইলৈ : ফেসবুক পেইজ | | ফেসবুক গ্রুপ
উপরোক্ত তথ্য সম্পর্কিত কোন মতামত জানাতে চাইলে কমেন্ট করুন এবং শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার কমেন্ট লিখুন
আপনার নাম লিখুন