জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায় ঘোষণার একদিন আগেই চাপা উদ্বেগ উতকন্ঠা

0
385

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায় ঘোষণার একদিন আগেই চাপা উদ্বেগ উতকন্ঠা মানুষের মাঝে বিরাজ করছে। এরি মধ্যে ঢাকা মহানগরিতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাজধানীর প্রবেশ মুখে চলছে নজরদারি ও তল্লাশি। রায়কে কেন্দ্র করে যদি কোন প্রকার নাশকতা তৈরি হলে নেওয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা বলছেন পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা। পরিবহণ মালিক শ্রমিক নেতারাও বলছেন নাশকতা ঠেকাতে কয়েক হাজার শ্রমিক লাঠি হাতে মাঠে থাকবে।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়
সাজা হলে বেগম খালেদা জিয়াকে রাখা হতে পারে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে সেখানেও জোড় প্রস্তুতির খবর পাওয়া গেছে। দীর্ঘ অাইনি প্রক্রিয়ার পর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়েছে বৃহষ্পতিবার। এই মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বর্তমান বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে। রায় ঘিরে উত্তেজনা বিস্তৃত হচ্ছে রাজনীতির মাঠে। রায় যাই হোক সাধারণ মানুষের মালামাল ও নিরাপত্তা রক্ষায় ঘাটতি রাখতে চায় না আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। সারাদেশে জেলা ও মহানগর পুলিশ প্রধানদের কাছে সর্তকবার্তা পাঠানো হয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে।

সারাদেশে পুলিশ সদর দপ্তরের সর্তকবার্তা সমূহ :

  • সংশ্লিষ্ট এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি করা।
  • গণ-পরিবহন ও লঞ্চ চলাচলে সর্তক দৃষ্টি রাখা।
  • সিসি ক্যামেরা ফুটেজ নিয়মিত মনিটরিং করা।
  • গুরুত্বর্পূণ স্থাপনা ও কেপিআই এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা।
  • নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দায়িত্ব পালন।
পুলিশ সদর দপ্তর হতে এআইজি সোহলী ফেরদৌস সাংবাদিকদের জানান, পুলিশ সদর দপ্তর হতে একটি নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে সর্তক থাকার জন্য এবং গোয়েন্দা তৎপরতা যেভাবে চলে সেটা অব্যাহত রাখা। পুলিশি চেক পোষ্ট গুলো থেকে সর্তক দৃষ্টি ও নজরদারি রাখা । ইউনিট প্রধানগণ যে বক্তব্য দিচ্ছেন ও যেই তথ্য গুলো আমোরা পাচ্ছি সেটার প্রেক্ষিতেই দেখাযাচ্ছে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের মাধ্যমে গ্রেফতার কার্যক্রমগুলো পরিচালনা করছে।এরি মধ্যেই রাজধানীর প্রবেশ পথ আর গুরুত্বপূর্ণ্য স্থানে চলছে তল্লাশি, চেক পোষ্টগুলোতে বসানো হয়েছে আধুনিক সরঞ্জাম।
নগরীর শান্তি-শৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তার স্বার্থে ডিএম’পির বিশেষ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে. সেখানে বলা হয়েছে ৮ ফেব্রুয়ারি ভোর থেকে সকল ধরণের আর্মি-আস্ত্র, লাঠি-সোঠা বহণ আর রাস্তা প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে এমন সভা, মিছিল বন্ধ করা হয়েছে। ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া সাংবাদিকদের এক প্রেস বিফ্রিং জানান, জনগণের নিরাপত্তায় হুমকি হতে পারে এমন যে কোন ঘটনা শক্ত হাতে নিয়ন্ত্রণ করা হবে এবং দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। অতীতে যে কোন আন্দোলনের প্রধান শিকার হয়েছে পরিবহণ খাত। গণপরিবহণে আগুন ও বোমায় আহত-নিহত হয়েছে সাধারণ মানুষ। এবার রায়কে কেন্দ্র করে পরিবহণ খাতে নাশকতা ঠেকাতে মাঠে থাকার ঘোষণা দিয়েছে পরিবহণ মালিক-শ্রমিকরা। পরিবহণ মালিক-শ্রমিকদের এক সাধারণ সভায় জানানো হয়, বৃহষ্পতিবার স্বাভাবিক নিয়মে চলবে গণপরিবহণ। নাশকতা প্রতিরোধে ঢাকার ট্রার্মিনাল গুলোতে লাঠি হাতে থাকবে প্রায় ২০ হাজার শ্রমিক। সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতির সভাপতি এনায়েতুর রহমান বলেন, প্রতিটি পরিবহণে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রসহ বালির বালতি ব্যবহার করা হবে। আমাদের পরিবহণগুলো প্রতিদিনের ন্যায় স্বাভাবিক নিয়মেই চলাচল করবে।
রায়ে বেগম খালেদা জিয়া দন্ডিত হলে তাকে নাজিমউদ্দিন রোডের পুরাতন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হতে পারে বলে কারাসুত্র হতে জানা গেছে। সেজন্য সেখানকার ডে-কেয়ার সেন্টারটি  প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিভিন্নসুত্র। তবে কারা কতৃপক্ষ বলছে রায়কে কেন্দ্র করে তাদের আগাম কোন প্রস্তুতি নেই, আর রায়ে বেগম খালেদা জিয়া দন্ডিদ হওয়ার পরই কারা বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।আর সাধারণ মানুষ বলছে রায়কে কেন্দ্র করে যে কোন প্রকার রাজনৈতিক কর্মসূচি দেওয়া আগে রাজনৈতিক দলগুলোর বিবেচ্য বিষয় হবে জনগণের জান ও মালের নিরাপত্তা কেননা রাজনীতি হলো জনগণকেই নিয়েই।
আমাদের সাথে যুক্ত হতে চাইলৈ : ফেসবুক পেইজ | | ফেসবুক গ্রুপ
উপরোক্ত তথ্য সম্পর্কিত কোন মতামত জানাতে চাইলে কমেন্ট করুন এবং শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার কমেন্ট লিখুন
আপনার নাম লিখুন