আগামী নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ ঠেকাতেই এই মামলার দ্রুত রায় ধার্য : মির্জা আলমগীর

0
234
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেছে বিশেষ ট্রাইব্রুনাল আদালত। এই রায়ের প্রেক্ষিতে বেগম খালেদা জিয়া একটি জরুরী বৈঠকের ডাক দেন । ২৭ জানুয়ারি শনিবার রাতে গুলশানে খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠকে আরোও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমীর,স্থায়ী কমিটির সদস্য ড.খন্দকার মোশারফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমোদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন,লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাহবুবুর রহমান,গয়েশ্বর চন্দ্র রায়,ড.আবদুল মঈন,নজরুল ইসলাম খান কামাল ও আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংবাদ সম্মেলন
বৈঠক শেষে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন,”আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি যাতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না পারে, তারই পাইতারা চালাচ্ছে সরকার”। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে নির্বাচন থেকে সরাতেই সরকার ক্ষমতার অপকৌশল প্রয়োগ করছেন বলে দাবি করেন তিনি। মির্জা ফখরুল আরো বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে বিপএনপির জনপ্রিয়তা দৃষ্টিগোচর হওয়ার সরকার ইচ্ছাপ্রণীত হয়ে তড়িঘড়ি করে মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেছে। গত ২৫ জানুয়ারি বৃহষ্পতিবার ঢাকার আলীয়া মাদ্রাসায় স্থাপিত বিশেষ জর্জ আদালতে বিবাদী পক্ষের আইনজীবিদের বক্তব্য হঠাৎ সমাপ্ত ঘোষণা করে আগামী ৮ই ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার তারিখ ঘোষণা করা হয়।
উপস্থিত প্রবীণ আইনজীবিদের মতে শুধুই অপ্র্যাশিত ও অস্বাভাবিকই নয় বরং রহস্যনজক । জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি ও দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে নির্বাচন প্রক্রিয়াই বাহিরে রাখার জন্য দ্রুত রায় ঘোষণার সেই অপচেষ্টার অংশ হিসেবে দেশবাসী মনে করে। সরকার প্রধান থেকে শুরু করে গত কয়েকদিন যাবৎ সরকারের মন্ত্রীগণ এবং বিশেষ দূত এই মামলার রায় এবং পরবর্তী সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার ও সরকার দলীয় বিভিন্ন প্রস্তুতির কথা যে ভাষায় বলে চলেছেন তাতে প্রমাণিত হয় যে মামলা আদালতে বিচারাধীন থাকলেও তার রায় কি হবে সরকার ও সরকার দলের জানা আছে বলেই মনে হয়।
স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে যে, সরকার জালিয়াতি করে বিচারের নামে প্রহসন এবং বিরোধী দলকে দমন করার জন্য আদালতকে ব্যবহার করার আরেকটি নোংরা দৃষ্টান্ত হতে যাচ্ছে। বিচার বিভাগ ও আইনী শাসন নিয়ে ক্ষমতাসীন দলের এমন আচরণে দেশের জনগণ আজ ক্ষুব্দ। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের স্থায়ী কমিটির আজকের আলোচনা থেকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ কয়েকজন নিরাঅপরাধ ব্যাক্তিকে মিথ্যা ও বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণিত মামলা দিয়ে সরকারের আইন ও আদালতের নিয়ম নীতির বিরুদ্ধে বিরুদ্ধ আচরণের প্রতি তীব্র নিন্ধা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এ ব্যাপরে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে বিচারের নামে সরকারের স্বরযন্ত্রের বিরুদ্ধে সচ্চার হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।
আমাদের সাথে যুক্ত হতে চাইলৈ : ফেসবুক পেইজ | | ফেসবুক গ্রুপ
উপরোক্ত তথ্য সম্পর্কিত কোন মতামত জানাতে চাইলে কমেন্ট করুন এবং শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার কমেন্ট লিখুন
আপনার নাম লিখুন