ই-কর্মাস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)

0
431
ই-কর্মাস অ্যাসোসিয়েশেন অব বাংলাদশে যার সংক্ষিপ্ত নাম ই-ক্যাব। বাংলাদেশের ই-কর্মাস ব্যবসার প্রচলনে ই-ক্যাবের যাত্রা শুরু হয় ২০১৫ সালে। ই-ক্যাব এর যাত্রার প্রাথমিক অবস্থা ছিল একটি ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যেম তারপর  ধীরে ধীরে তা  ২০১৭ সাল নাগাদ বিস্তৃত হতে থাকে। এক পর্যায়ে ই-ক্যাব গ্রুপটি এতটাই জনপ্রিয় ও একটিভ গ্রুপ হিসেবে মানুষের কাছে  পরিচিত হতে থাকে যে যা এখন ই-কর্মাস ব্যবসার মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।
বিডি অনলাইন কমিউনিটি
ইকর্মাস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ

ই-ক্যাব ফেসবুক গ্রুপটি পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, বর্তমান গ্রুপটির সদস্য সংখ্যা প্রায় ১.৫ লাখ এবং প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ এই গ্রুপটিতে জয়েন করে ও সেই সাথে ৩০ হাজারের উপরে মানুষ  প্রতিদিন একবারের জন্য হলেও গ্রুপটি ভিজিট করে। গ্রুপটি পরিচালনার মূল দ্বায়িত্বে আছেন ই-কর্মাস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট “রাজিব-আহমেদ” ও কয়েজনজন মডারেটর । তিনিই প্রথম নিজস্ব উদ্যোগে বাংলাদেশের ই-কর্মাসের মাধ্যমে অনলাইন ব্যবসা প্রসারের জন্য বিশেষ ভূমিকা পালন করেন এই গ্রুপটি ক্রিয়েট করার মাধ্যমে। ওনার চেষ্ঠা ছিল বাংলাদেশে কিভাবে একটি সাফল্যজনক ই-কর্মাস ব্যবসার প্রসার ঘটানো যায় এবং বেকার ও নারী গোষ্ঠির উন্নয়ন ঘটানোর যায়। ই-কর্মাস যেহেতু একটি ঘর কেন্দ্রিক ব্যবসা তাই যে কেউ এই ব্যবসার সাথে খুব সহজেই জড়িত হতে পারেন নামমাত্র পুঁজি ও মোটামোটি ভাবে ই-কর্মাসের ওপর দক্ষতা অর্জন করার মাধ্যমে। ই-কর্মাসের মাধ্যমে নারী উন্নয়ন ঘটানো যেমন সম্ভব তেমনি বেকারত্ব সমস্যার সমাধন হবে বলে আশা করা যায়।

যদি কেউ ই-কর্মাস ব্যবসার সাথে জড়িত হতে ইচ্ছুক হয়, তাহলে ই-ক্যাব গ্রুপটি তার জন্য শিক্ষা ও দক্ষতা অর্জনের  একটি সুযোগ প্রদান করে। কেননা এই গ্রুপটিতে জয়েনকৃত ১.৫ লাখ সদস্য প্রতিদিনই কিছু না কিছু ই-কর্মাস ভিত্তিক নিউজ,তথ্য, টিপস, টিক্স, সাহায্য ও জিজ্ঞাসা প্রদানের মাধ্যমে একে ওপেরর সাহায্য সহোযোগিতা প্রদান করছে। ই-ক্যাব গ্রুপটিকে এখন বলা যায় বাংলাদেশের ই-কর্মাস ব্যবসায়ীদের একটি পরিবার। এই পরিবারের মধ্যে এখন যুক্ত রয়েছে উচ্চ পদস্থ সরকারী কর্মকর্তাবৃন্দ থেকে শুরু করে প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষজন পর্যন্ত। যা ঘিরে তৈরি হচ্ছে সম্ভাবনাময় ই-কর্মাস সেক্টর। এই গ্রুপটি হতে আপনি বিভিন্ন ধরনের সেবা পেতে পারেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ও ই-কর্মাস ব্যবসার সাথে জড়িত সার্ভিসসমূহ : ওয়েব ডিজাইন, ডেভলাপমেন্ট, এস.ই.ও, গ্রাফিক্স-ডিজাইন, ডাটা-এন্ট্রি, অ্যাফেলিয়েট মার্কেটিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, এফ-কর্মাস, ডোমিন হোস্টিং,এক্সপোর্ট ও ইমপোর্ট,লাইসেন্স,পেমেন্ট গেটওয়েসহ আরো অনেক ধরনের সার্ভিস।

ই-ক্যাব গ্রুপটি সাথে  এখন আরোও অনেক কিছু যুক্ত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও হবে। বর্তমানে ই-কর্মাস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ই-ক্যাবের রয়েছে  ঢাকা ধানমন্ডি এড়িয়াতে একটি অস্থায়ী অফিস। যার মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে ই-ক্যাবের সকল ধরনের কার্যক্রম । এই অফিসে থেকেই ই-ক্যাব বিভিন্ন ধরনের ই-কর্মাস এবং এফ কর্মাস সর্ম্পকিত ব্যবসার শর্ট ট্রেনিং প্রদান করছে এবং  ট্রেনিং শেষে অথবা ই-কর্মাস বা এফ-কর্মাস ব্যবসার নির্ধারিত ফি সহ রেজিষ্ট্রশন সম্পন্ন করার পর বিশেষ একটি সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।ই-ক্যাব রেজিষ্ট্রার্ডকৃত ই-কর্মাস ও এফ-কর্মাস প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৭০০। ই-কর্মাসের রেজিষ্ট্রশন ফি এককালীণ ১ হাজার টাকা এবং প্রতিবছর বার্ষিক চার্জ ২ হাজার টাকা। এই মোট ৩,০০০ টাকা প্রথম রেজিষ্ট্রশনধারীদের জন্য প্রয়োজন হবে এবং সেই সাথে লাগবে রেজিষ্ট্রশনধ প্রার্থীর ব্যবসার সংক্ষিপ্ত বিবরণ পত্র,  লগো , রেজিষ্ট্রশনপ্রার্থীর জাতীয় পরিচয় পত্র, টিআইএন সার্টিফিকেট ও পাসপোর্ট সাইজ ছবি। ই-ক্যবের রয়েছে তথ্য-বহুল ই-কর্মাস ব্যবসা উপযোগী একটি ব্লগ যেখানে আপনি ই-কর্মাস কেন্দ্রিক সকল ধরনের তথ্য নিতে পারবেন।

সম্প্রতি ই-কর্মাস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) এর কার্যকরী পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক অভিনেত্রী ও এফবিসিসিআয়ের পরিচালক শমী কায়সার। এছাড়াও সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন আব্দুল ওয়াহেদ তমাল। ৯ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটিতে আরো জায়গা পেয়েছেন সহ-সভাপতি রেজাউক হক জামি, জয়েন্ট সেক্রেটারি নাসিমা আক্তার নিশা, ফাইন্যান্স সেক্রেটারি হিসেবে এই পদে রয়েছেন আব্দুল হক অনু। এই কমিটির পরিচালক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন ইক্যাবের প্রতিষ্ঠাতা “রাজীব আহমেদ”, আশিষ চক্রবর্তী, তানভীল এ মিশুক ও শাহাব উদ্দিন শিপন।

আমাদের সাথে যুক্ত হতে চাইলৈ : ফেসবুক পেইজ | | ফেসবুক গ্রুপ
উপরোক্ত তথ্য সম্পর্কিত কোন মতামত জানাতে চাইলে কমেন্ট করুন এবং শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার কমেন্ট লিখুন
আপনার নাম লিখুন