আমেরিকা এখন আমার টেবিলের আওতার মধ্যে-বলেছেন কিং জাং উন

0
290
২০১৭ সাল পুরোটা বছরই ছিল দক্ষিণ কোরিয়া এবং আমেরিকার মধ্যেকার বিভিন্ন রকমের হুকমি ধামকির মধ্যে । নতুন বছরে পদার্পণ করতে না করতেই আবারো আলোচনার টেবিলে দক্ষিণ কোরিয়া। সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ার নেতা কিং জাং উন তার দেশের  নাগরিকদের শুভেচ্ছা জানাতে দক্ষিণ কোরিয় সরকারি টেলিভিশন মাধ্যমে জানিয়েছেন, নতুন বছরের শুভেচ্ছা এবং সেই সাথে আরোও জানিয়েছেন সর্ম্পূণ্য আমেরিকা এখন তার এক টেবিলের আওতার মধ্যে । তাই আমেরিকা কোন প্রকার সাহস করতে পারবেনা দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতি যুদ্ধ শুরু করার ।
কিং জাং উন
দক্ষিণ কোরিয়ার নেতা কিং জাং উন
কিং জাং উনের কথায় আরো জানাজায় আমেরিকার দিকে তাগ করা তার দেশের পারমাণবিক অস্ত্রের ভান্ডার এর একটি অংশের সুইচ তার টেবিলেই সর্বদা প্রস্তুত রাখা হয়। আমেরিকা যদি দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতি কোন প্রকার আক্রমণ চালায় তাহলে আমেরিকার মূল ভূ-খন্ডে পারমাণবিক অস্ত্রের তান্ডব চালোনোর কথাও জানান তিনি। আমেরিকার মূল ভূ-খন্ডের যে কোন জায়গায় পারমাণবিক অস্ত্র দ্বারা হামলা চালাতে সক্ষম তার দেশের সেনাবাহিনী । এবং এতে করে আমেরিকার অর্থনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় ক্ষতির সম্মূখীন হবেও বলে জানা যায়। সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী বিভিন্ন পারমাণবিক বোমা ও ক্ষেপণাস্ত্রের সফল  পরীক্ষা চালিয়েছে।  এই পরীক্ষার পর উত্তর কোরিয়ার নাগরিকদের আতঙ্কের  সৃষ্টি হয়েছে। উত্তর কোরিয়া জানায় তারা যে কোন সময় দক্ষিণ কোরিয়ার দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে। তাই দেশটির রাষ্ঠ্রীয় প্রধানগণ জাতিসংঘের প্রতি একটি অনুরোধ করেছেন। পূর্ব হতে চলে আসা দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যেকার যে বিভাজন তা আরোও বেশি চরমে উঠছে আমেরিকার সাথে দক্ষিণ কোরিয়ার হামলা প্রসঙ্গে।
ইতিমধ্যেই জাতিসংঘ ও আর্ন্তজাতিকভাবে বেশকিছু রাষ্ট্র দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতি অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেছে। কিন্তু তাতেও কোন সুফল হচ্ছে না বরং পূর্বের তুলনায় দক্ষিণ কোরিয়া আরোও বেশি পরিমাণ পারমাণবিক অস্ত্রের ভান্ডার মজুদ করার চেষ্ঠা করেছে। এবং সেই সাথে দক্ষিণ কোরিয়া জানিয়েছে তাদের এই পারমাণবিক বোমার পরীক্ষার কার্যক্রম আরোও বেশি বেগমান ও সফল হবে।

পরিশেষে দক্ষিণ কোরিয়ার নিকট হতে আশার আলো দেখা যাচ্ছে, দক্ষিণ কোরিয়ার নেতো কিং জাং উন জানিয়েছে ২০১৮ সালের অনুষ্ঠিত্য সিউল অলিম্পিকে তার দেশের ক্রীড়াবিদরা অংশ নিতে পারে। এটা হচ্ছে দুই কোরিয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ্য ক্রীড়া আসর। যার মাধ্যমে শুধুমাত্র ক্রীড়াঙ্গন নয় সামাজিক, জাতীয় ও রাষ্ট্রীয়ভাবে দুই কোরিয়ার মধ্যোকার একটি সুসম্পর্ক তৈরি হতে পারে যা তিনি নিজেও আশা করেন। তাই আসছে উইন্টার অলিম্পিকে অংশগহণের মাধ্যমে দুই কোরিয়ার উচিত সুসম্পর্ক তৈরি করে সহাবস্থান নিশ্চিত করা। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন দক্ষিণ কোরিয়া সর্বদাই প্রস্তুত চলমান অশান্তি দূরে যে কোন আলোচনার সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য।

আমাদের সাথে যুক্ত হতে চাইলৈ : ফেসবুক পেইজ | | ফেসবুক গ্রুপ
উপরোক্ত তথ্য সম্পর্কিত কোন মতামত জানাতে চাইলে কমেন্ট করুন এবং শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার কমেন্ট লিখুন
আপনার নাম লিখুন