যেভাবে একটি নতুন পাসপোর্ট করবেন

0
34

পৃথিবী ঘুরে দেখার ইচ্ছা কমবেশি আমাদের সকলের মাঝেই রয়েছে।আল্লাহতায়ালার অপূরুপ সৃষ্টি এই সুন্দর পৃথিবীতে রয়েছে বিভিন্ন জায়গা ও নিদর্শন দেখার সুযোগ, যা না দেখলে হয়ত আমাদের অনেক কিছুই না দেখা রয়ে যাবে।কিন্তু একজন ভ্রমণকারী হিসেবে যে জিনিসটা না থাকলে দেশের সীমান্ত পাড়ি দেওয়া সম্ভব নয় তা হচ্ছে পাসপোর্ট।তবে প্রথমেই প্রশ্ন আসে পাসপোর্ট কি বা কি’বা এর ব্যবহার ? রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে আপনার বৈধপথে বা রুটে দেশের বাহিরের যাওয়ার একটি ডকুমেন্ট বা পারমিট হচ্ছে পাসপোর্ট।পাসপোর্ট দ্বারা একজন নাগরিক বৈধ পথে দেশের বাহিরে যাওয়ার রাষ্ট প্রদত্ত অনুমতিপ্রাপ্ত হন।জাতীয় পরিচয়পত্রের মতো পাসপোর্ট দেশের অভ্যন্তরে ও বাহিরে আপনার নাগরিকতার পরিচয় বহন করে ।এছাড়া পাসপোর্টের সবচেয়ে বড় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিদেশ যাওয়ার অপরিহার্য একটি দলিল হিসেবে নিজেকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরে।আপনি যদি বৈধপথে বা রুটে যে কোনো দেশে ভ্রমণ করতে চান তাহলে আপনার প্রয়োজন হবে একটি পাসপোর্ট। তাই আজকের আলোচনার বিষয় কিভাবে পাসপোর্ট করবেন তা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হলো।

পাসপোর্ট করার সকল প্রক্রিয়া

যেভাবে অনলাইনে নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করবেন
যেভাবে অনলাইনে নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করবেন

পাসপোর্ট করার আবেদন ফরম যেখান থেকে সংগ্রহ করবেন

আবেদন ফরম পাসপোর্ট অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় এবং আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন।বাংলাদেশের বিভাগীয় বিভিন্ন পাসপোর্ট অফিসের ঠিকানা ও কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ফোন নম্বর পিডিএফ ফাইল আকারে প্রদান করা হলো।http://www.passport.gov.bd/Reports/BGD_MRP_Contact.PDF.এছাড়াও এখান থেকে আবেদন ফরমের পিডিএফ ফাইলটি প্রিন্ট করে নিতে পারবেন।কিন্তু এখন ঘরে বসেই অনলাইনে পাসপোর্টের আবেদন ফরম পূরণ করা যায়।তাই আর ফরমের জন্য লম্বা লাইনে দাঁড়ানোর প্রয়োজন নেই।তাই অনলাইনে মাধ্যমে পাসপোর্টর জন্য আবেদন ফরম পূরণ করাই শ্রেয়।http://www.passport.gov.bd/Reports/MRP_Application_Form[Hard%20Copy].pdf

মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট বা এমআরপি

সাধারণত পাসপোর্ট দুই ধরনের হয়ে থাকে।মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট যা বর্তমান সময়ের প্রচলিত পাসপোর্টে সেবার নতুন আপডেট ভার্সন এবং পুরানো বা চলমান হাতে লেখা পাসপোর্ট।খুব শ্রীঘই এই ধরণের পাসপোর্ট বিলুপ্তি ঘটবে।বর্তমানে হাতে লেখা পাসপোর্ট কোনো কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে না এবং ইস্যু করা হয় না।যাদের হাতে লেখা পাসপোর্ট রয়েছে তাদের পাসপোর্ট নবায়ন করে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট করা হচ্ছে।মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট নীতিমালা অনুযায়ী ২০১২ সালে থেকে এমআরপি চালু করা হয়েছে।মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট বিশেষত্ব হচ্ছে এতে ছোট একটি ইলেকট্রনিক চিপ বসানো থাকে যার ফলে পাসপোর্টধারীর সব ধরণের ডাটা সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়।এই ডাটা পরবর্তীতে খুব সহজে পাসপোর্ট রিডার মেশিন বা বিশেষ সফটওয্যার মাধ্যমে অনুসন্ধান করা সম্ভব হয়।

১। পাসপোর্ট ফি জমা দেওয়ার নিয়ম

প্রথমে পাসপোর্ট ফি জমা দিতে হবে।সাধারণত পাসপোর্টের জন্য ৩৪৫০ টাকা এবং জরুরী পাসপোর্টের ক্ষেত্রে ৬৯০০ টাকা জমা দিতে হবে। পাসপোর্টের টাকা দুইটি পদ্ধতি অনুসরণ করে জমা দেওযা যাবে।প্রথম পদ্ধতিটি হচ্ছে অনলাইনে মাধ্যমে এবং দ্বিতীয় পদ্ধিতিটি হচ্ছে নির্ধারিত ব্যাংক শাখার মাধ্যমে।নির্ধারিত ব্যংক গুলোর মধ্যে রয়েছে ওয়ান ব্যাংক,ব্যাংক এশিয়া,ঢাকা ব্যাংক,ট্রাস্ট ব্যাংক,সোনালী ব্যাংক,প্রিমিয়ার ব্যাংক।অনলাইনে পাসপোর্টের টাকা জমা দেওযার ক্ষেত্রে নির্ধারিত টাকার বেশী কিছুটা অনলাইন ফি প্রদান করতে হবে।ফি জমা দিয়ে ব্যাংক রসিদ সংগ্রহ করতে হবে।যদি সম্ভব হয় এক কপি ফটোকপি করে নিজের কাছে রাখতে পারেন।মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট ফি সম্পর্কে আরোও বিস্তারিত জানতে নিচের ছবিটি লক্ষ করুন।

পাসপোর্ট ফি সম্পর্কিত তথ্যসমূহ
পাসপোর্ট ফি সম্পর্কিত তথ্যসমূহ
২. পাসপোর্টের আবেদন ফরম পূরণ সংগ্রহ ও পূরণ করা

পাসপোর্টের টাকা জমা দেওয়ার পরবর্তী কাজ হচ্ছে আবেদন ফরম পূরণ করা।ফর্ম পূরণ দুইভাবে করতে পারেন।প্রথমটি হচ্ছে ফর্ম ডাউনলোড করে তারপর প্রিন্ট করে পূরণ করা এবং দ্বিতীয়টি হচ্ছে অনলাইনে পুরণ করে তারপর ডাউনলোড করে প্রিন্ট করা।তবে অনলাইনে ফর্ম পূরণ করাটাই ভালো তাহলে সুবিধা হচ্ছে ভুল হবার সম্ভাবনা কম থাকে।তাই নিজে নিজে অনলাইনে ফরম পূরণ করলে আপনি একবারে যায়গায় কয়েকবার চেক করতে পারবেন। http://www.passport.gov.bd এই লিংকে গেলেই আপনি নিজে নিজে অনলাইনে ফর্ম পূরণ করতে পারবেন।তার আগে নিয়মাবলি দেখে ও বুঝে নিবেন।

পাসপোর্ট ফরম পূরণ করার সময় সাধারণ তথ্যাবলী

পাসপোর্ট টাইপ বা ধরণ

  • অডিনারি – সাধারণ জনগণের জন্য, কোন সাপোর্টিং ডকুমেন্ট লাগবে না।
  • অফিসিয়াল – যারা উপযুক্ত তাদের জন্য, GO অথবা PDS জমা দিতে হবে।
  • ডিপলোমেটিক – ডিপ্লোম্যাটদের জন্য, কোন ডকুমেন্ট লাগবে না।

ডেলিভারি টাইপঃ ব্যাংকে যদি ৩৪৫০ টাকা জমা দেন তাহলে “রেগুলার” দিবেন এবং ৬৯০০ টাকা জমা দিলে “এক্সপ্রেস”দিবেন।

পাসপোর্টের ফরম পূরণের সময় কিছু তথ্য খুল ভালোভাবে দেখে শুনে নিবেন।যেমন আপনার নাম,জন্মতারিখ,বাবা-মা নাম,জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর।এইসব কোনভাবেই যেন ভূল না হয়।নয়তো ভবিষ্যৎ এ আপনাকে ঝামেলা পোহাতে হবে।তাই সব থেকে ভালো উপায় হলো সার্টিফিকেট অনুযায়ী দিবেন।এছাড়াও যদি আপনার ডকুমেন্ট কোন ধরণের ভুল থাকে তাহলে তা প্রথমেই সংশোধন করে পরবর্তীতে ফরম পূরণ করুন।

পাসপোর্ট নামের দুইটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ : ফাষ্ট পার্ট (গিফেন নাম) এবং সেকেন্ড পার্ট (সিওর নাম)।পুরো নামের শেষ অংশটা সিওরনাম এ হবে,বাকিটা গিভেন নাম। কারো নামে “মোঃ” থাকলে পুরো মোহাম্মাদ লেখা লাগবে না,শুধু “এমডি” লিখবেন, ডট দেবেন না।কোনরকম শিক্ষাগত ডিগ্রি নামের আগেপিছে লিখবে না।পাসপোর্ট নামের দুইটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ : ফাষ্ট পার্ট (গিফেন নাম) এবং সেকেন্ড পার্ট (সিওর নাম)।পুরো নামের শেষ অংশটা সিওরনাম এ হবে,বাকিটা গিভেন নাম। কারো নামে “মোঃ” থাকলে পুরো মোহাম্মাদ লেখা লাগবে না,শুধু “এমডি” লিখবেন, ডট দেবেন না।কোনরকম শিক্ষাগত ডিগ্রি নামের আগেপিছে লিখবে না।

পাসপোর্ট নামের দুইটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ : ফাষ্ট পার্ট (গিফেন নাম) এবং সেকেন্ড পার্ট (সিওর নাম)।পুরো নামের শেষ অংশটা সিওরনাম এ হবে,বাকিটা গিভেন নাম। কারো নামে “মোঃ” থাকলে পুরো মোহাম্মাদ লেখা লাগবে না,শুধু “এমডি” লিখবেন, ডট দেবেন না।কোনরকম শিক্ষাগত ডিগ্রি নামের আগেপিছে লিখবে না। বয়স ১৫ বছরের নিচে হলে গার্ডিয়ান অপশন পূরণ করেত হবে।না হলে নরমালি বাবা-মা এর অপশন থাকবে।বার্থ সার্টিফিকেট বা এনআইডির যেকোন একটি ব্যবহার করলেই হবে।উচ্চতা ইঞ্চিতে জানলে ইঞ্চিতেই লিখবেন অটো সেঃমিৎ হয়ে যাবে।বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানা একি হলে একি দিবেন তাহলে পুলিশ ভেরিফিকেশন তারাতারি হবে এবং অযথা পুলিশকেও টাকা দিতে হবে না।আর আলাদা হলে আলাদা দিবেন।

কারেন্ট বিলে যেভাবে ঠিকানা লেখা সেভাবে লিখলে ভালো হয়।যদিও পুলিশ খুব বাসায় আসেনা।তারা ফোন করে আপনাকে একটা জায়গায় যেতে বলবে সেখানেই গেলেই হবে।জরুরী যোগাযোগের জন্য এমন কাউকে দেবেন যাকে সবসময় পাওয়া যাবে।ব্যাংকের পেমেন্ট অপশনে ব্যাংকের রসিদ নম্বর দিতে হবে।সবকিছু ঠিকটাকভাবে পূলণ হয়ে গেলে ফরম সাবমিট করবেন এবং পিডিএফ ডাউনলোড করে নিবেন।ফরম সাবমিট করার ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে বায়োমেট্রিকের জন্য যাবেন,নাহলে ফর্মটা অটোমেটিক সার্ভার থেকে ডিলিট হয়ে যাবে। তখন আবার পূরণ করতে হবে। এছাড়াও ফরম কিভাবে পূরণ করবেন তার নমুনা দেখে নিতে পারেন। http://dip.portal.gov.bd/sites/default/files/files/dip.portal.gov.bd/forms/1814a4e6_495e_4dfa_b013_537f4cb297c0/MRP-Form-Filled.pdf

৩. পাসপোর্টের ফরম প্রিন্ট

পাসপোর্ট আবেদন ফরম হয় চার পৃষ্ঠার্।প্রিন্টের সময় আলাদা আলাদা চার পেইজ প্রিন্ট না করে ২ পেইজে এপিঠ ওপিঠ করে মোট ২ কপি প্রিন্ট করবেন।প্রিন্ট করার পর কিছু জিনিস হাতে লিখতে হবে। যেমন : ক) প্রথম পৃষ্ঠার পয়েন্টে আপনার নিজের নাম বাংলায় লিখতে হবে। খ) ৩য় পৃষ্ঠার ২৪নং পয়েন্টে ফর্মের সাথে যেসব ডকুমেন্ট দিচ্ছেন ঐ ঘরগুলোতে টিকচিহৃ দিতে হবে।গ)৩য় পৃষ্ঠার অঙ্গীকার নামা অংশে তারিখ ও আপনার স্বাক্ষর দিবেন।অপ্রাপ্তবয়স্ক হলে অভিবাবকের স্বাক্ষর বা টিপসই দিতে হবে। পাসপোর্ট সাইজের দুইকপি ছবি দুই ফর্মের নির্ধারিত জায়গায় আঠা দিতে লাগিয়ে দিতে হবে।আবেদনকারী যদি অপ্রাপ্তবয়স্ক হয় সেক্ষেত্রে পিতা-মাতার ছবিও নির্ধারিত যায়গায় আঠা দিয়ে একই প্রক্রিয়ায় লাগিয়ে নিতে হবে।

৪. পাসপোর্ট সত্যায়িত করা
  • পাসপোর্টের আবেদন ফরমের ছবি আঠা দিয়ে লাগানোর পর ছবির উপর সত্যায়িত করতে হবে।
  • আবেদন ফরমের চতুর্থ পৃষ্ঠায় প্রত্যয়ন অংশে সত্যায়িত করতে হবে।
  • জন্মসনদ বা জাতীয় পরিচয়পত্রের যেকোন একটি দুইকপি ফটোকপি করে সত্যয়িত করতে হবে।
  • পেশা ডাক্তার,ইঞ্জিনিয়ার,ড্রাইভার এবং অন্যান্য কারিগরি হলে পেশাগত সনদপত্রের ১কপি ফটোকপি সত্যায়িত করতে হবে।

যেসকল ব্যাক্তিবর্গ পাসপোর্টের আবেদনপত্র ও ছবি সত্যায়িত করতে পারবেন : সংসদ সদস্য,সিটি কর্পোরেশনের মেয়র,ডেপুটি মেয়র ও কাউন্সিলরগণ,গেজেটেড কর্মকর্তা,পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক,উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান,পৌরসভার মেয়র ও পৌর কাউন্সিলরগণ,বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক,বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষ,বেসরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক,জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক,নোটারী পাবলিক ও আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত/রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার জাতীয় বেতন স্কেলের ৭ম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তাগণ।

৫. পাসপোর্ট ফরম জমাদান ও বায়োমেট্রিক
  • পাসপোর্টের আবেদন ফরমের উপরে (প্রথম পৃষ্ঠায়) আঠা দিয়ে ব্যাংকের রসিদটি লাগিয়ে নিতে হবে।এমনভাবে আঠা দিয়ে লাগাতে হবে যেন ছবি ও বারকোড নষ্ট হয়ে না যায়।
  • দুই কপি পূরণকৃত সম্পূর্ণ আবেদন ফরম,জন্মসনদ বা জাতীয় পরিচয়পত্রের যেকোন একটি সত্যায়িত কপি,সত্যায়িত পেশাগত সনদ ১কপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে),GO/PDS/NOC অরিজিনাল কপি (প্রযোহ্য ক্ষেত্রে) তারপর একসাথে পিনআপ করে পাসপোর্ট অফিসের অনলাইন কাউন্টারে জমা দিতে হবে।
  • আবেদন ফরমটি জমা প্রদানের পর বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করতে হবে।
  • সাদা রঙ্গের কোন পোষাক পরিহিত অবস্থায় বায়োমেট্রিক করতে যাবেন না।
  • বায়োমেট্রিক সম্পন্ন হয়ে গেলে আপনাকে একটি টোকেন দেওয়া হবে।ওই টোকেন দিয়েই পরবর্তীতে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে।
  • আপনার ফরমে যদি কোন ভুল বা সংশোধন করতে চাইলে অফিস কাউন্টারে যোগাযগো করতে হবে।
৬. পুলিশ ভেরিফিকেশন বা যাচাই-বাছাই পর্ব

আপনার যদি বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা একই স্থানে হলে সাধারণত পুলিশ ভেরিফিকেশন খুবই তাড়াতাড়ি সম্পন্ন হয়। পুলিশ আপনার দেওয়া ঠিকানায় আসতে পারে আবার নাও আসতে পারে।যদি না আমে তাহলে থানায় ডাকা হবে।থানায় পুলিশ আপনা ঠিকানা ভেরিফাই করবে।পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করতে কোন টাকা চার্জ দিতে হয় না। কিন্তু আমাদের বর্তমান প্রেক্ষাপট ভিন্ন তাই মাঝে মধ্যে আপনাকে সামাজিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হতে পারে।পুলিশ ভেরিফাই সম্পন্ন হয়ে যাওয়ার কিছু দিনের মধ্যেই আপনার পাসপোর্ট হাতে পাবেন সেইপর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

৭. পাসপোর্ট ডেলিভারি বা পাসপোর্ট সংগ্রহ

পাসপোর্ট ডেলিভারির জন্য প্রস্তুত হলে সাধারণত আবেদনকারীর প্রদত্ত নম্বরে মোবাইলের এসএমএস মাধ্যে বার্তা পাঠানো হয়। কিন্তু কোন কারণে বিলম্ব বা না আসে তাহলে অনলাইনে বা মেজেসের মাধ্যমে পাসপোর্টের বর্তমান অবস্থা বা ডেলিভারি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা যায়।তবে আনঅফিসিয়ালভাবে উচ্চপদস্থ কোন কর্মকর্তা,আর্মি অফিসার,পাসপোর্ট অফিসের পরিচিত লোকজন থাকলে অনেক দ্রুত পাসপোর্ট সংগ্রহ করা যায়।পাসপোর্ট রেডি হলে পাসপোর্ট অফিসে পোকেন জমা দিলেই পাসপোর্ট ডেলিভারি দেওয়া হবে।এছাড়াও পাসপোর্ট সম্পর্কিত আরোও কোন তথ্য প্রয়োজন হলে নিচের কমেন্ট বক্ষে আপনার মূল্যবান মতামত তুলে ধরুন। আমাদের সাধ্য অনুযায়ী চেষ্ঠা করব সঠিক তথ্য জানাতে।তথ্যটি যদি অন্যের উপকারে আসতে বলে মনে করেন তাহলে শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করা হল।ধন্যবাদ।

আমাদের সাথে যুক্ত হতে চাইলৈ : ফেসবুক পেইজ | | ফেসবুক গ্রুপ

উপরোক্ত তথ্য সম্পর্কিত কোন মতামত জানাতে চাইলে কমেন্ট করুন এবং শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার কমেন্ট লিখুন
আপনার নাম লিখুন